Bongobondhu

“শোনা যায় কলকাতার মহা নিধন দাঙ্গায় মুজিব নিজ হাতে ছোরা নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন। মুজিব ব্যক্তিগত ভাবে সুরাবর্দির মন্ত্রশিষ্য ছিলেন। কাজেই গুরু যে দাঙ্গা আরম্ভ করেছিলেন তাতে শিষ্য যোগ দিবে তাতে আর আশ্চর্য কি? তবে দাঙ্গায় হিন্দু খুন করার শিক্ষা মুজিব তাঁর গ্রাম থেকেই পেয়েছিলেন। কারন আমাদের অঞ্চলে হিন্দু মুসলমানে সংঘর্ষ বাঁধলে ছেরামকান্দি, ডেমাডাঙ্গা ও টুঙ্গিপাড়ার মুসলমানরাই মুসলমানদের নেতৃত্ব দিত।

এভাবে ইসলামের সেনাপতি রূপেই তিনি পাকিস্তান আন্দোলনে নামলেন এবং ১৯৪৬ সালের ১৬ আগষ্টের নৃশংস কলকাতা দাঙ্গার নেতৃত্ব দিলেন। পাকিস্তান সংগ্রামের তিনিই হলেন পূর্বাঞ্চলের প্রধান সৈনিক। সুরাবর্দির প্রধান সেনাপতি ও ডান হাত শেখ মুজিব। সেই সঙ্গে মুসলিম ছাত্রলিগের অন্যতম নেতা। যখন স্বাধীনতা আন্দোলনে হাজার হাজার হিন্দু যুবক হাসিমুখে প্রাণ দিচ্ছিল, হাজার হাজার হিন্দু দেশপ্রেমিক কারা অন্তরালে কাঁদছিল এবং হাজার হাজার আহত পঙ্গু যুবক মৃত্যুর দিন গুনছিল, তখন যুবক শেখ মুজিব স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ না দিয়ে হিন্দুর বিরুদ্ধে জেহাদের পরিকল্পনায় ব্যস্ত ছিলেন। এভাবে জেহাদের ডাক দিয়ে হিন্দুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন।“

২০০৫ সালের কলকাতা বইমেলায় ‘বাঙ্গালীর মুক্তিযুদ্ধের অন্তরালে শেখ মুজিব’ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়। উপরের দুটি স্তবক সেই বই থেকে নেয়া। লেখক ডাঃ কালিদাস বৈদ্য। নিজের দেয়া বর্ননা মতে ভারতীয় এই নাগরিকের আদি বাড়ি বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির পাশেই। নিজেকে তিনি দাবী করেছেন রাজনীতিবিদ চিত্তরঞ্জন সূতারের অতি ঘনিষ্ঠজন। এই বই পড়লে জানা যাবে তৎকালীন পুর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন করে বাংলাদেশে পরিনত করার মুল কারিগর আসলে তাঁরা দুজন- কালিদাস আর চিত্তররঞ্জন, এই লক্ষ্যে সেই ১৯৫১ থেকে তাঁরা কাজ শুরু করেছিলেন। এমনকি বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদেরও জনক তাঁরাই। স্পষ্ট ভাবেই লিখেছেন হিন্দুদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ার অভিপ্রায়েই তাঁরা বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটান যাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানকে ইসলামী জাতীয়তাবাদ থেকে এদিকে ধাবিত করা যায়। এই ন্যারেটিভ নতুন কিছু নয়, পাকিস্তানী শাসক এবং ইসলামী মৌলবাদীরা স্বয়ং বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে এই প্রচারনা চালিয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁরা ভারত ও হিন্দুর দালাল বলেছে। কালিদাস বৈদ্য একই সাথে তাঁর বইয়ের পরতে পরতে শেখ মুজিবুর রহমানকে একজন চরম মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক, হিন্দু বিদ্বেষী, জেহাদী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এতো খারাপ জেনেও তাঁর দাবী মতে ১৯৫১ সাল থেকেই তিনি ও চিত্তরঞ্জন সুতার শেখ মুজিবকে ব্যবহার করেছেন মুলতঃ হিন্দুদের জন্য স্বাধীন পুর্ব বাংলা গঠন করতে। যথারীতি বাংলাদেশে এই বইটি স্বাধীনতা বিরোধী ইসলামী মৌলবাদী ও বঙ্গবন্ধু বিরোধীদের কাছে আদৃত।

যা হোক কালীদাস বৈদ্য’র বই নিয়ে আলোচনার জন্য এই লেখা নয়। বেশ কিছু বছর ধরে পশ্চিম বঙ্গ থেকে এই ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে- ‘১৯৪৬ এর কলকাতা দাঙ্গায় শেখ মুজিব জোরালো ভাবে জড়িত ছিলেন হিন্দু নিধনে’ । গোটা ভারতের মতো পশ্চিম বঙ্গে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি জাঁকিয়ে বসার সময়ে এই ন্যারেটিভ আরো জোরালো হচ্ছে, বাংলাদেশে কিছু তথাকথিত বামপন্থী আবার এটি সজ্ঞানে প্রচার করেন রসালোভাবে।

হিন্দু সংহতি নামে একটি সংগঠন গত কয়েক বছর ধরে ১৬ আগষ্ট খুব গুরুত্ব দিয়ে পালন করছে কলকাতায়। হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের কর্মী তপন ঘোষ এর প্রতিষ্ঠাতা। ‘১৯৪৬ এর ১৬ আগষ্ট মুসলমানরা এক তরফা হাজার হাজার নিরীহ হিন্দুদের হত্যা করে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলো’- এটা হচ্ছে হিন্দু সংহতি’র এদিন পালনের মুল প্রতিপাদ্য।

মুসলিম লীগ ঘোষিত ঐ ডাইরেক্ট একশন ডে’তে কলকাতায় কী ঘটেছিলো তা নিয়ে নানা ধরনের আলাপ আছে। একাডেমিক গবেষনা ও নিরপেক্ষ তদন্ত থেকে বুঝা যায়- কারো হাতই সেদিন পরিস্কার ছিলোনা। ক্যাম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ ফেলো ইতিহাসবিদ ডঃ জয়া চ্যাটার্জি তাঁর গবেষনা গ্রন্থ ‘বাংলা ভাগ হল ’–এ লিখেছেন, সেদিন মুসলিম লীগের সদস্যদের মতই হিন্দু মহাসভার স্বেচ্ছাসেবকরাও লড়াইয়ের জন্য তৈরি ছিল, ছোরা আর দিশি পিস্তল নিয়ে ।

যুগান্তর দলের বিপ্লবী ও পরে বামপন্থী নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর আত্মকথা ‘বিপ্লবের সন্ধানে’–তে লিখেছেন, “…লীগ থেকে যখন ১৬ই আগস্ট হরতাল ঘোষণা করা হল, তখন হিন্দু মহাসভা এবং কংগ্রেস মিলে ১৪ই আগস্ট দেশপ্রিয় পার্কে এক বিরাট সভা করে এক প্রস্তাব পাশ করা হল যে, এ হরতাল কিছুতেই সফল হতে দেওয়া যাবে না, … ১৬ই আগস্ট হরতাল উপলক্ষে যে দাঙ্গার সম্ভাবনা ষোল আনা, এটা সকলেই অনুভব করতে লাগল এবং দুই পক্ষই তার জন্য প্রস্তুত হল।”

যুগান্তর দলের বিপ্লবী ও পরে বামপন্থী নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর আত্মকথা ‘বিপ্লবের সন্ধানে’–তে লিখেছেন, “…লীগ থেকে যখন ১৬ই আগস্ট হরতাল ঘোষণা করা হল, তখন হিন্দু মহাসভা এবং কংগ্রেস মিলে ১৪ই আগস্ট দেশপ্রিয় পার্কে এক বিরাট সভা করে এক প্রস্তাব পাশ করা হল যে, এ হরতাল কিছুতেই সফল হতে দেওয়া যাবে না, … ১৬ই আগস্ট হরতাল উপলক্ষে যে দাঙ্গার সম্ভাবনা ষোল আনা, এটা সকলেই অনুভব করতে লাগল এবং দুই পক্ষই তার জন্য প্রস্তুত হল।”

হিন্দু সংহতি এ দিনকে মহিমাম্বিত করার জন্য গোপাল মুখার্জি নামে একজনকে নায়ক বানানোর চেষ্টা করে। এঁদের মাংসের পারিবারিক ব্যবসা ছিলো বলে তিনি ‘গোপাল পাঁঠা’ নামে পরিচিত। বলা হয় গোপাল পাঁঠা হিন্দু তরুনদের সংগঠিত করে ‘দাংগাবাজ’ মুসলমানদের ‘উপযুক্ত শাস্তি’ দিয়ে কলকাতার হিন্দু তথা ভারত রাষ্ট্রকে সেদিন বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেন। তরুন গোপাল পাঁঠা যেহেতু হিন্দু পক্ষের নায়ক সেহেতু মুসলমান পক্ষে সেরকম একজন ভিলেন তো লাগেই। সোহরাওয়ার্দী মাস্টার মাইন্ড হলেও বয়স্ক আনফিট; একশনে তো তাঁকে সরাসরি দেখানো যায়না, এ ক্ষেত্রে ২৬ বছরের ছাত্রনেতা দীর্ঘদেহী শেখ মুজিব মানানসই।

এন্ডুর হোয়াইট হেড নামে একজন ইউরোপীয়ান গবেষক গোপাল পাঁঠার দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নেন ১৯৯৭ সালে। সেই সাক্ষাৎকার এখন নেটে পাওয়া যায়। গোপাল পাঁঠার বয়ানে বোম্বাই ও পেশোয়ারি নামে দুই মুসলমান গুন্ডার নাম শুনা যায়। এ ছাড়া তার সাক্ষ্য জয়া চ্যাটার্জির মতামতের সাথেও মিলে যায়। হিন্দু তরুনেরা আরো আগে থেকেই আগ্নেয়াস্ত্র জোগাড় করে রেখেছিলো।

এবার দেখা যেতে পারে সেসময়ের মুসলিম ছাত্রলীগের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান কী জানিয়েছেন তাঁর সংশ্লিষ্টতা বিষয়ে। ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থে পাওয়া যায়, তিনি লাঠি হাতে আক্রমনকারীদের প্রতিহত করেছেন, মুসলমান বস্তি রক্ষায় বন্দুক হাতে পাহারা দিয়েছেন, ঝুঁকি নিয়ে হিন্দুদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দিয়েছেন, তাঁর ছোট ভাইকে হারিয়ে ফেলে পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করেছেন।

বৃটিশ ন্যাশনাল আর্কাইভে সংরক্ষিত ২৪ আগষ্টের একটি বৃটিশ মিলিটারী রিপোর্ট সাক্ষ্য দেয়, সকাল বেলা দুপক্ষেরই ছাত্ররা মারামারিতে ছিলো যেমন এর আগের নয় মাস ধরেই কলকাতায় এমন ঘটছিলো। কিন্তু বিকেলের মধ্যেই ছাত্ররা বুঝে ফেলে, এদিনের ঘটনা অন্যদিনের মতো নয়। তখন তাঁরা নিজেদের এবং পরিবারের নিরাপত্তার জন্য ছুটতে থাকে। আর দাঙ্গায় লিপ্ত হয় মুলতঃ গোয়ালা, রিক্সাওয়ালা, চায়ের দোকানদার, পান বিড়িওয়ালা, ভ্যানওয়ালা, ডক শ্রমিক। শেখ মুজিব এর কোনটাই ছিলেন না, তিনি ও একজন ছাত্র ছিলেন এবং রিপোর্টে উল্লেখিত ছাত্রদের মতোই পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন।

জয়া চ্যাটার্জিও তাঁর বইয়ে উল্লেখ করেছেন- মুসলমানদের পক্ষে মুলতঃ দাঙ্গায় জড়িয়েছে এই শ্রমিক শ্রেনী যদিও হিন্দুদের পক্ষে শিক্ষিত তরুনরাও অস্ত্র হাতে ছিলো। বৃটিশ মিলিটারী রিপোর্টে মূখ্যমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দীর নিন্দা করে দাঙ্গার জন্য হিন্দু মুসলমান দুপক্ষকেই দায়ী করা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে, আর্থিক ক্ষতি হিন্দুদের বেশী হলেও শারীরিক ক্ষতি মুসলমানদেরই বেশী।

কালিদাস বৈদ্য বা হিন্দু সংহতি যারা শেখ মুজিবুর রহমানকে এই রক্তক্ষয়ী দাঙ্গার প্রধান অপরাধী বানাতে চান, তাদের কাছে তাহলে প্রমান কী? কোন চাক্ষুষ সাক্ষী, শেখ মুজিব দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত কারো অভিযোগ, শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে কোন মামলার দলিল, পত্রিকায় কোন রিপোর্ট?

এবার দেখা যাক কলকাতার দুজন মানুষের স্মৃতিচারন ঐ সময়ের শেখ মুজিবকে ঘিরে। দুজনেই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। প্রথম জন নিহার রঞ্জন চক্রবর্তী, বয়স ৯৮ বছর। সম্ভবতঃ বেঁচে থাকা একমাত্র মানুষ যিনি কলকাতার ছাত্রনেতা শেখ মুজিবকে দেখেছেন। বিখ্যাত পত্রিকা চতুরঙ্গ’র অন্যতম মালিক নিহার রঞ্জন বলেনঃ “ও খুব ভালো সংগঠক। দারুণ বক্তৃতা দেন। ভীষণ পরোপকারী ও অসাম্প্রদায়িক। ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের রিহার্সাল মুজিবের হয়ে গিয়েছিল কলকাতায়। ৪৬-এর ভয়ংকর দাঙ্গার সময় মুজিব শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়াননি, প্রাণবিপন্ন করে সাধ্যমতো পাশে থেকেছেন হিন্দু প্রতিবেশীদেরও।“

দ্বিতীয়জন ভারতের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ প্রয়াত ভবতোষ দত্ত। ১৯৪৩ সালে কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে ছাত্র হিসেবে পেয়েছিলেন। ১৯৮৫ সালে তাঁর স্মৃতিগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ‘আট দশক’। পৃষ্ঠা ১১৭ তে ভবতোষ দত্ত লিখেনঃ “ছাত্ররা আমাদের অত্যন্ত সমাদরে গ্রহণ করেছিলেন। আমরা মুসলমান নই বলে যেন কোনো আঘাত না পাই তারও চেষ্টা করতেন। প্রায় সব ছাত্রই অবশ্য লীগপন্হী। পাকিস্তানকামী। মুসলমান শিক্ষকরাও তাই। তবে কলেজ ইউনিয়নের নির্বাচনে দুটো দল হতো- একটা বাংলাভাষীর দল আর অন্যটা উর্দুভাষীর দল। উর্দুভাষীরা নিজেদের একটু বেশি কুলীন মনে করতেন। কিন্তু বাংলাভাষীদের সংখ্যা ছিল বেশী। এই বাংলাভাষী দলের নেতা ছিল একটি কৃশকায় ছেলে- নাম শেখ মুজিবুর রহমান। তার নীতি শেষ পর্যন্ত অপরিবর্তিতই ছিল।

বঙ্গবন্ধু মুজিবুর বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিতে সফল হয়েছিলেন । ইসলামিয়ার ছাত্ররা যে আমাদের জন্য কতটা করতে পারত তার প্রমাণ পেলাম ১৯৪৬-এর রক্তাক্ত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময়। বালিগঞ্জ থেকে ইসলামিয়া কলেজের রাস্তায় পদে পদে বিপদ। এই রাস্তা আমাদের ছাত্ররা পার করে দিত। ওল্ড বালিগঞ্জের কাছে অপেক্ষা করত আর সেখান থেকে ওয়েলেসলি স্ট্রিটে কলেজে নিয়ে যেত। আবার সেভাবেই ফিরিয়ে দিয়ে যেত। “

এ ছাড়া আব্দুল গাফফার চৌধুরীর 'ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা' বইয়ে উল্লেখ আছে, দাঙ্গার সময় কলকাতার বিখ্যাত অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের পরিবারকে তিনি শুধু নিরাপত্তাই দেননি, বাড়ি থেকে লুট হওয়া যাওয়া জিনিসপত্রও উদ্ধার করে নিয়ে এসেছিলেন ভয়ংকর ত্রাস পেশোয়ারিকে চাপ দিয়ে।

এবার সিদ্ধান্ত, প্রত্যেকের নিজ নিজ বিচার বুদ্ধি অনুযায়ী।

সূত্রঃ
১। ডাঃ কালিদাস বৈদ্য - ‘বাঙ্গালীর মুক্তিযুদ্ধের অন্তরালে শেখ মুজিব’
২। ডঃ জয়া চ্যাটার্জির বই- বাংলা ভাগ হল
৩। নারায়ন বন্দোপাধ্যয়- বিপ্লবের সন্ধানে
৪। শেখ মুজিবুর রহমান- অসমাপ্ত আত্মজীবনী
৫। ভবতোষ দত্ত- আট দশক
৬। আব্দুল গাফফার চৌ- ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা
৭। গোপাল পাঁঠার সাক্ষাৎকার- https://tinyurl.com/872f93j8
৮। বৃটিশ মিলিটারী রিপোর্ট- https://tinyurl.com/7eajvufx
৯। নিহার রঞ্জন চক্রবর্তীর সাক্ষাৎকার- https://tinyurl.com/59tfac4d